Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)

Share with your friends
bangla golpo bikeler bhalobasha part 3

Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)

Click here to read the first part.

Click here to read the second part of the bengali story বিকেলের ভালোবাসা.

।।৩।।

কাকু বললেন, “চল, তোকে তোর বাড়ি অবধি ছেড়ে আসি। এমনিতেই শরীর ঠিক নেই! কি, না কি হয়ে যাবে কোথায়!” রাস্তায় হাটতে হাটতে একটা বুদ্ধি খেলে গেল। কাকু কে বললাম, “২দিন ছুটি নি, বুঝলে কাকু, শরীরটাও ঠিক নেই!” কাকু যেনো বিজয়গর্বে বুক ফুলিয়ে বললেন, “এই দেখ, কবে থেকে বলছি, একটা বিয়ে কর। এই বাইরে ছাই পাঁশ খেয়েই তোর শরীর খারাপ হচ্ছে!” অবশেষে বাড়ি পৌঁছলাম।

বাড়ি? হ্যাঁ, বাড়িই তো! যখন বাবা মা বেঁচে ছিলেন, এটা একটা বাড়িই তো ছিল। আজও আমি থাকি, একা! নিজের সাথে। এই বাড়িতে। ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম লম্বা হয়ে। চোখের সামনে রিমির মুখটা ছাড়া কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। ওই টানা টানা চোখ, পাতলা ঠোঁট, রেশমের মত ঘন চুল আর খিলখিল করে ঝর্নার মতো বয়ে যাওয়া সেই হাসি! চোখের সামনে সেই দিনটা ভেসে উঠলো।

আমি কি সেদিন আর একটু সাহস নিয়ে রিমিকে বলতে পারতাম না? রিমি কি “না” ই বলতো? রিজেকশনের এত ভয় কেনো আমার? সব ঠিকঠাক হলে হয়তো আজ রিমি আমার সন্তানের মা হতো।

এই বিছানাতে আমার পাশে শুয়ে থাকতো সে! আমি তাকে নিজের মতো করে দেখতাম! কেউ আমাকে বাঁধা দিত না। সিলিং ফ্যানটা ঘুরতে থাকলো, আমি সেই দিকে তাকিয়ে আছি। কিছুক্ষন পর আবার টনক নড়ল। অনেক দিন পর আবার কাঁদলাম। তাও ওই পুরুষ মানুষ তো! ইগো কম না! আজও মনকে এটাই বলি, আমি রিমিকে চাইনা। সত্যি, মিথ্যে জানিনা। আমাকে তো বাঁচতে হবে। এটুকু মিথ্যে কথা না হয় নিজেকে বললাম।

Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)

কিছু মাস পর একটা ফুটফুটে মেয়ে হলো আমার রিমির। রিমি একটু দুর্বল ছিল, তাই এই সন্তানের জন্ম দেওয়ার সময় সে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।

আমার এখানে ভূমিকা বলতে, কাকুকে একটু সাহায্য করা এই যা!

কিছুদিন পর কাকু ফোন করে ডেকে পাঠালো আমাকে। আমি ভাবলাম কিছু দরকার আছে হয়তো। গেলাম। যা শুনলাম, তাতে আমিও বেশ চিন্তিত হয়ে পড়লাম। রিমি খুব কাঁদছে। কাকু বললেন আমাকে, “বেশ কিছুদিন হলো রূপকের ফোন লাগছে না! ওর বাড়ির সবাইকেও ফোন করা হয়েছে, কাউকেই ফোনে পাওয়া যায়নি।

খুব চিন্তা হচ্ছে রে অভি, কি করি বুঝতে না পেরে তোকে ফোন করে ডাকলাম।” সবটা শুনে আমি বললাম,”দেখো হয়তো কোনো কারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমনিতেই তো অনেক ব্যস্ত থাকে শুনেছি।” রিমির দিকে তাকিয়ে বললাম,” কিছু চিন্তা করিসনা। তোর বরের খোঁজ করছি আমি।” আমার কথাতে হয়তো একটু ভরসা পেলো বা হয়তো পেলো না! যাই হোক, আমি কাজে বেরিয়ে পড়লাম। সবার প্রথমে খুব স্বাভবিকভাবেই আমি রূপকের ফোন নম্বর ট্রেস করলাম। এখানে বলে রাখি, আমি এই ধরনের কাজ আগেও করেছি। আমার যান্ত্রিক বুদ্ধির একবার পুলিশও সাহায্য নিয়েছিল।

Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)

যাই হোক, এসব করতে গিয়ে একটা জিনিস দেখে আমি চমকে গেলাম। রূপকের ফোন নম্বর টা ওর নিজের নামেই রেজিস্টার্ড নেই। আমি তখনই ছুটলাম থানাতে। কারণ এসব ব্যাপারে দেরি করা ঠিক না। বড়বাবু সবটা শুনে বাড়ির সবার নম্বর চাইলো। সবার নম্বর ও ট্রেস করে দেখা হলো। আশ্চর্য্যজনকভাবে দেখা গেলো সবার ফোন নম্বর অন্য কারুর নামে রেজিস্টার্ড। পুলিশ বললো, বাড়ির লোককে জানাতে। আমি তৎক্ষণাৎ কাকুকে ফোন করে থানায় আসতে বলি। কাকু যখন থানাতে ঢুকলো, তখন কাকুর মুখচোখ দেখে বুঝতে পারলাম মানুষটা কতটা ভয় পেয়েছে! আমি কাকুকে চেয়ারে নিয়ে গিয়ে বসালাম।

পুলিশ জানালো যে তারা পুরো ব্যাপারটা দেখছে। শুধু রূপক আর তার বাড়ির লোকের ছবি চেয়ে নিল। পরে কাজে লাগবে হয়তো। আমরা বেরিয়ে এলাম থানা থেকে। রূপক আর তার বাড়ির লোকের সাথে রিমি ওদের মুম্বই এর বাড়িতেই থাকতো। পুলিশকে জানিয়েছি। কয়েক ঘণ্টা যেতে না যেতেই থানা থেকে আমার ফোনে ফোন এলো। রিমির বাড়ির ঠিকানা চাইলো পুলিশ। সবাই ওখানেই আসছে। আমিও গেলাম। সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করেই বড়বাবু বলতে শুরু করলেন,” বেশ কিছুদিন ধরেই আমরা কলকাতার একটা টিম কে ধরার চেষ্টা করছিলাম। এই টিমটা মধ্যবিত্ত পরিবারকে বিয়ে, ব্যবসা এরকম নানাবিধ পদ্ধতিতে ফাঁসিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। আর তারপর তাদের কোনো হদিস পাওয়া যায়না।

কিছুদিন আগে এই টিমটাই কলকাতা থেকে কিছু দূরে শ্রীরামপুরের একটা পরিবারকে ফাঁসিয়ে ছিল।” এসব শুনে আমাদের সবার মুখ যেমন হাঁ হলো, তেমনই একটা অজানা আতঙ্কে বুকটা কেঁপে উঠলো। কাকু কাঁপতে কাঁপতে বললেন, “আমরা তো রিমিকে ১০ভরি সোনা দিয়ে বিয়ে দিয়েছিলাম। আর সেসব তো ও ওর শাশুড়ির কাছেই রাখতো!” পুলিশ অফিসার বিদ্যুৎ বেগে তাকালেন কাকুর দিকে আর বললেন,” কি করেছেন মশাই?” তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “দেখুন অভিষেকবাবু, এতক্ষণে হয়তো বুঝতেই পারছেন যে এই পরিবার কত বড় একটা স্ক্যামে ফেঁসে গেছে!” রিমির দিকে তাকিয়ে বললেন,” এই মেয়েটার জীবনটা তো শেষ করেছেই, এত গুলো টাকা সব গেলো! আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি, যাতে অন্তত টাকাগুলো বাঁচাতে পারি।” বড়বাবু চলে গেলেন।

আমরা সবাই কিছুক্ষন পাথর হয়ে বসে রইলাম। রিমির মুখের দিকে আমি তাকাতে পারছিনা! কষ্টে, আতঙ্কে, রাগে, অনুশোচনায় সে পাথর! রিমির শোওয়ার ঘরেই বসা হয়েছিল। কাকু কাকিমা চলে গেলেন বাইরে। রিমির মুখের দিকে একবার তাকিয়ে আমিও বেরিয়ে গেলাম। বাড়ির দিকে হাঁটতে হাঁটতে ভাবতে লাগলাম, আমার এখন কি করণীয়? মুহুর্তের মধ্যেই কী সব ভাবতে বসে গেলাম! রিমি আর ওর মেয়ের দায়িত্ত্ব নেবো। রিমিকে পাওয়ার আশা করিনা। কিন্তু এভাবে ওকে একা দেখে ফেলে রেখে আসতে আমি পারবনা! আমি ছুটে গেলাম আবার রিমির কাছে। কাকুকে বললাম, একটু রিমির সাথে কথা বলবো, যদি আপত্তি না করো। কাকু কেঁদে ফেললেন। নিজেকে সামলাতে পারলেন না। আমি জড়িয়ে ধরলাম।

Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)

কাকু বললেন, “তোকে বড় ভরসা করি। তুই রিমির একটু পাশে থাকিস! আর যা, রিমি ঘরেই আছে।” ঘরে ঢুকে দেখলাম, একই রকম ভাবে পাথর হয়ে বসে আছে রিমি। আমি রিমির কাছে গেলাম, এত কাছে হয়তো কোনদিন যাইনি। হয়তো যাব ও না আর। রিমির কাঁধ শক্ত করে ধরে বললাম,”রিমি, একটু কাঁদ। না কাঁদলে তুই যে মরে যাবি!” রিমি কোনো সাড়া দিলো না! রিমির এরকম এলোমেলো চুল, শুকনো মুখ আর আমি দেখতে পারছিলাম না। কিন্তু আমাকে তো শক্ত থাকতেই হতো। আমি ওর থুতনি টা তুলে বললাম, “কিছু বল রিমি। কথা বল”। এভাবে রিমিকে চুপ দেখে আমি একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম ওকে যা হোক করে কাঁদাতে হবে। আমার তখন চোখ গেলো, রিমির সদ্যজাত ফুটফুটে ফুলের মতো রাজকন্যার দিকে, আমি তাকে খুব সাবধানে কোলে নিলাম। আর তারপর আস্তে করে রিমির কোলে দিলাম। রিমির যেনো ঘুম ভাঙলো।

মেয়েকে কোলে নিয়ে আমার দিকে রিমির তাকালো। আমি বললাম,”রিমি তোকে বাঁচতে হবে। তোর রাজকন্যার জন্য, নিজের জন্য।” আর যেটা বলতে পারলাম না, মনেই রেখে দিলাম, সেটা “আমার জন্য”। মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ঝরঝর করে কেঁদে উঠলো রিমি। আমি খুব সাবধানে রাজকন্যাকে নিয়ে আবার শুয়েই দিলাম। এবার রিমি কাঁদছে। আমি বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলাম। যখন একটু রিমি ধাতস্থ হলো, আমি বললাম, “রিমি, তোকে কিন্তু বাঁচতে হবে। আমি পাশে আছি তোর। আমি তোকে সব রকম ভাবে সাহায্য করবো। তোকে বাঁচতে হবে রিমি! নিজের জন্য, মেয়ের জন্য।” রিমি কেঁদে কেঁদে আমার দিকে তাকালো।

কিছুক্ষন তাকিয়ে রইলো। বললো,” তুমি সাহায্য করবে?” আমি তখন মনে মনে ভাবলাম,”আজ যদি সুযোগ পাই, এতদিন যা বলতে পারিনি, তা বলে দেব। শেষ করে দেবো সব সংশয়। মুছে দেব, আমার রিমির সব চোখের জল। কোনো রূপকের কালো ছায়াও ওকে ছুঁতে পারবেনা। জড়িয়ে ধরে বুকের মধ্যে আগলে রেখে দেব আমার রিমিকে। আর আমাদের রাজকন্যাকে।” রিমি আবার ডাকলো,”অভিদা, তুমি সত্যি বলছো, সাহায্য করবে?” আমি বললাম,”আমি সব দায়িত্ব নেবো তোদের। তুই শুধু কথা দে, তুই আর রাজকন্যা বাঁচবি!” এরপর যেটা হলো, সেই ঘটনাটা আমার পুরো জীবনে আমি কোনোদিন ভুলতে পারবো না।

রিমি চোখের জল মুছতে মুছতে বললো,”আমার জীবনের অনেকটা রূপক নিয়েছে। আমি এতদিন ওই পরিবারটার আর পরিবারের মানুষগুলোর জন্য বাঁচতাম। আজ থেকে নিজের জন্য আর মেয়ের জন্য বাঁচব। অভিদা, কিছু চাইনা, শুধু একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দেবে? আমি সারাজীবন তোমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।” আমি একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছাড়লাম। রিমির হাতদুটো একবার ধরার লোভ সামলাতে না পেরে ধরেই ফেললাম। বললাম, আমি ব্যবস্থা করে দেবো। আর আমি আছি তোর পাশে। আর সারাজীবন থাকবো।

Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)

তোদের কিছু হবে না।” রিমি বললো,”বাবার পর তুমিই সেই মানুষ যাকে আমি চোখ বুজে ভরসা করতে পারি।” আমার বুকটা ভরে উঠলো। আমি বললাম,”কাল আমি জানাচ্ছি, তুই তোর কলেজের কাগজপত্র বের করে রাখিস।” রিমি ঘাড় নারলো। আমি বেরিয়ে এলাম সেখান থেকে। বেরোনোর সময় কাকুর দিকে তাকিয়ে বললাম,”রিমির কিছু হবে না। আর হ্যাঁ, পুঁচকে তার নাম কিন্তু রাজকন্যা, আমি দিলাম নাম টা।” বেরিয়ে এলাম। নাহ্, আজও বলতে পারিনি, আজও বলতে পারিনি আমি রিমিকে যে আমি ওকে কতটা ভালোবাসি। কিন্তু আমি বুঝলাম, আজ, রিমির মনে আমার স্থান কি! এত শ্রদ্ধা করে ও আমাকে? এত ভরসা করে? আমার বুকটা ভরে উঠলো খুশিতে।

আমি জানিনা, এটা খুশির সময় কিনা! কিন্তু আজ কিছু না পেয়েও মনে হচ্ছে, সব পেয়ে গেলাম। রিমি তো আমারই। ওর চোখে এত বড় হতে পেরে নিজেকে সামলাতে পারছিনা। ঘরে ঢোকার আগে খোলা আকাশটার দিকে একবার তাকালাম। ফুরফুরে বিকেলের হাওয়া পুরো শরীর ছুঁয়ে গেল। আমার রিমির প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেলো অনেক গুন। কতটা শক্ত হয়ে গেল ও। কিছু মুহূর্তেই। এটা হয়তো একজন মায়ের শক্তি। সবাই পারে না। একজন মা পারে। সবটা হারিয়েও নিজের সন্তানের জন্য বাঁচতে। আমার বুকটা ভরে উঠলো গর্বে।

bikeler bhalobasha

ফ্রেশ হয়ে একটু ছাদে উঠলাম। বিকেলের মিষ্টি হওয়া যেনো বলে দিচ্ছে, দিনের শেষেও আশা থাকে, ভালোবাসা বেঁচে থাকে। যে ভালোবাসা, দিনের শেষে বিকেল বেলাতে আসে। কিন্তু আসে। থেকে যায়। আমার রিমির আমার প্রতি এই শ্রদ্ধাই ওর ভালোবাসা। এটা আমার। আমি রেখে দিলাম। আমার “বিকেলের ভালোবাসা”।।

Hope you liked the second part of the bangla golpo bikeler bhlobasha. Let us know your thoughts in the comments section below.

To read more exciting creative stories click here

12+

29 thoughts on “Bangla Golpo বিকেলের ভালোবাসা(part-III)”

  1. I know this if off topic but I’m looking into starting my own blog and was curious what all is required
    to get setup? I’m assuming having a blog like yours would cost a pretty
    penny? I’m not very web smart so I’m not 100% positive.
    Any suggestions or advice would be greatly appreciated.
    Thanks

    0
  2. With havin so much written content do you ever run into any
    problems of plagorism or copyright infringement?
    My website has a lot of completely unique content I’ve either created myself
    or outsourced but it looks like a lot of it is popping it up all over the internet
    without my authorization. Do you know any
    ways to help stop content from being stolen? I’d genuinely appreciate it.

    0
  3. It’s appropriate time to make a few plans for the future and it is
    time to be happy. I’ve learn this publish and if I may I wish
    to suggest you few interesting issues or advice.
    Maybe you can write subsequent articles regarding this article.
    I wish to learn more issues approximately it!

    0
  4. Your style is so unique in comparison to other people I’ve read stuff from.
    Thanks for posting when you’ve got the opportunity,
    Guess I’ll just bookmark this page.

    0
  5. You have made some really good points there. I
    looked on the internet for more information about the issue and found most people will go
    along with your views on this website.

    0
  6. Pretty component of content. I simply stumbled upon your
    blog and in accession capital to say that I get in fact
    enjoyed account your weblog posts. Anyway I will be subscribing on your augment and even I achievement you get right of entry to constantly fast.

    0
  7. Normally I do not read post on blogs, however I wish to say
    that this write-up very compelled me to try and do so!
    Your writing taste has been surprised me. Thanks, quite great post.

    0
  8. It is in reality a nice and helpful piece of info. I am glad that you shared this useful info with us.
    Please stay us informed like this. Thank you for sharing.

    31muvXS cheap flights

    0
  9. I will right away take hold of your rss as I can not to find your e-mail subscription hyperlink or e-newsletter service.
    Do you’ve any? Please permit me understand so that I may just subscribe.
    Thanks.

    0
  10. Great post however I was wondering if you could write a litte more on this subject?
    I’d be very grateful if you could elaborate a little bit further.
    Bless you! cheap flights 34pIoq5

    0
  11. It is the best time to make a few plans for the future and
    it’s time to be happy. I have learn this submit and if I may
    just I desire to recommend you few interesting issues or tips.
    Maybe you can write subsequent articles relating to this article.
    I desire to learn even more issues approximately it!
    31muvXS cheap flights

    0
  12. I just couldn’t leave your web site before suggesting that I actually
    enjoyed the usual info an individual provide for your guests?
    Is going to be back steadily to check out new posts

    0
  13. Awesome site you have here but I was curious about if you knew of any
    message boards that cover the same topics talked about in this article?
    I’d really love to be a part of group where I can get advice from other experienced individuals
    that share the same interest. If you have any suggestions, please
    let me know. Cheers!

    0
  14. I have been browsing online more than three hours as of late,
    but I never found any interesting article like yours. It’s beautiful worth sufficient
    for me. In my view, if all website owners
    and bloggers made excellent content as you probably did, the web can be a lot more helpful
    than ever before.

    0
  15. Attractive section of content. I just stumbled upon your blog and in accession capital to assert that I acquire actually enjoyed account your blog posts.
    Anyway I’ll be subscribing to your augment and even I achievement you access consistently
    quickly. adreamoftrains website hosting companies

    0
  16. To me the representation of sense of humor was the key of the storyline and the writer beautifully portrayed it.
    Khub sundor, touched.

    0
  17. “Rimi ar bojha uchit j kew takeo valobase,ato ka6e thake bujhte par6e na rimi..”
    Khb valo lage6e….Ki6u valobasa na paoai roye jay 🙂

    0
  18. Sabarni Chakraborty

    Khbbb sundorr golpotaa…. tobee monee h66iloo roo portee… hotat sas hye glooo golpoota…. but go6anoo 6ilo💝💝💝💝….. khb simple wayy te lkhaa 😍👌👌👌👍👍👍👍

    1+
  19. Golpota darun jodio .. ending ta incomplete Mone holo..Tao sb kichhu keno khub sundor !! Prottek ta emotion darun bhaabe express kra hoyechhe…aar sb theke bhaalo lglo golpota oti sorol vaabe lekha ..

    2+
  20. দারুন 💙
    ” শেষ হয়েও হইলো না শেষ ” এই ধরণের কিছু গল্প/উপন্যাস যদি সৃষ্টি করা যায় একটু আবদার করলাম। খুব বেশি দিন নেই আর শারদ উৎসবের,পুজো সংখ্যা বলে যদি কোনো আলাদা প্রচ্ছেদ পাবলিশ করা যায় । হ্যাঁ জানি গল্প সৃষ্টি আর সেটিকে ওয়েবসাইট ইমপ্লিমেন্ট কাজ তা সহজ নয়। এই গল্পগুলো উপহার দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ টিম #dilseybeduin কে।
    ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন, 💜

    4+

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *