Share with your friends
kalo britto bengali story

কালো বৃও – Bengali Story

“কালো বৃও” – ইউটিউব চ‍্যনেলে আজ নতুন অডিও আপলোড করল আর লিখল,” এবার আমি লইভে আসবো তোমাদের যা যা জানার আছে লিখে  পাঠাতে থাক।” পোস্টটা পাবলিক করার পর কিছুক্ষণ থমকে গেল পরিতোষ, হারিয়ে গেল সাত বছর  আগে….         

ক্লাস 11 এ একটা মেয়েকে খুব পছন্দ হয়েছিল তার, নাম পিহু, মেয়েটার মুখে এক অদ্ভুত স্নিগ্ধতা আছে। তা নাহলে যে কোনোদিন কোনো মেয়ের দিকে তাকায়নি তার চোখ সরে না! কিন্তু কোনো প্রকারে বলতে পারেনি। নিজের অনুভূতি গুলো নিজের মধ্যে আটকে রাখার অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল তার। বলবে নাকি বলবেনা এই দন্দ্বেই দুটো বছর কাটিয়ে দিয়েছিল। অবশেষে সাহস করে উচ্চ মাধ্যমিকের  রসায়ন পরীক্ষার শেষে মেয়েটির দিকে অগ্রসর হল, হৃৎস্পন্দন তুঙ্গে। পরিতোষ কিছু বলার আগেই মেয়েটি বলেছিল, “কেমন হল তা তোকে জিগ্যেস করা বৃথা, নিজেকে মনে হয় আয়নায় দেখিসও না “

“কেন?”

“চোখ তো দেখাই যাচ্ছে না, dark cirle, এত্ত পড়েছিস্। আজ একটু ঘুমোস্, তোর তো 4th subject নেই। আশি রে, আমার কাল বয়ো আছে ” পরিতোষের সময় শেষ। অার হয়ত কোনোকালেই বলা হবে না ….     

       সেদিন রাতে ভাবার চেষ্টা করেছিল তার dark circle কেন।… ছোট থেকে “বাবা” নামক কোনো মানুষের সান্নিধ্য পায়নি সে। মায়ের মৌখিক বর্ণনায় “বাবা” শব্দের মানে বুঝতে পারলেও, অনুভব করতে পারে নি। একটা সেলাই মেশিন আছে তাদের বাড়ীতে। এটাই তাদের অন্নদাতা। মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষের দিন যখন বাড়ি ফিরে এসে মায়ের গলা জরিয়ে ধরেছিল সেদিন মায়ের মেকি হাসি তার নজর এড়ায়নি। এই আর্থিক অবস্থায় বিজ্ঞান বিভাগে পড়ানোর খরচ, মায়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল।      

কালো বৃও – Bengali Story

        “কিরে, পোষ্ট করতে না করতে  এত্ত কমেন্ট “। রথীনের কথায় সম্বিত ফিরে পায় পরিতোষ। আলতো হাসে। আজ সারা বিশ্বের কত শতাধিক মানুষ তার কন্ঠের ভক্ত, অথচ কোনো অহংকার নেই – কথাটা ভাবলেই বিস্মিত হয় রথীন।

“ভাই আজ রাতে কিছু খাব না, শুতে গেলাম ” বলে নিজের ঘরে চলে আসে পরিতোষ। মাঝে মাঝে এই ঘরটার দিকে তাকিয়েই কয়েক ঘন্টা কাটিয়ে দেয়। আজ রাতেও তাই করল।     

        ভট্টাচার্য্য জেঠু খুব সাহায্য করেছিল সেবার। কলকাতার কলেজে  রসায়ন বিভাগে ভর্তি, উওর কলকাতার ঐ মেস – সবই তার দয়ায়। সেবার প্রথম তার মা কারো দয়া গ্রহণ করেছিল। মেসে তার প্রথম ও একমাত্র বন্ধু রথীন। একটা টিউশান জোগাড় করে দিতে বলে সে রথীনকে।

রথীন বলে,”দেখ ভাই আজকাল   tuition এর ব‍্যবসা দাঁড় করানো খুবই কঠিন, যদিওবা দাঁড়ায় সেটা চালানো খুব হ‍্যাপা। 24×7 তোকে সার্ভিস দিতে হবে। আমার একটা অন্য বুদ্ধি  আছে। আমরা একটা ইউ টিউব চ‍্যানেল খুলব। আমার একটা বন্ধুর আছে, ওর ব‍্যাবসা মোটামুটি দাঁড়িয়েছে এখন। ও আমার চ‍্যানেলটা প‍্রোমোট করবে বলেছে।

কালো বৃও – Bengali Story

” পরিতোষ বলে,” তোর মনে হয় আমার এই মুখ তোর চ‍্যানেলে দেখালে তোর ব‍্যবসা টিকবে?”

” আরে ব্রাদার, এ আমার আজকের আইডিয়া নয়, ফেসবুকে একটা পেজে আমার ছোট ছোট কিছু লেখা আছে আর সেগুলো মোটামুটি জনপ্রিয়। আর এখন কলম অনেকটা শক্ত,বেশ রসিয়ে লিখছি তাই আমার তোকে চাই।”বলে সিগারেট ধরায় রথীন।

গলাটা নামিয়ে রথীনের দিকে নীচু হয়ে পরিতোষ বলে,” আমি এজন্মে কোনোদিন ওসব গালগল্প ভাবিনি পর্যন্ত “।

  রথীন, পরিতোষের বচন ভঙ্গিতে এমন হেসে ওঠে যে পাশের ঘরের রমাদা, সূর্য একসঙ্গে বেরিয়ে আসে। রথীন তখন পরিস্থিতি সামাল দেয়। রাতে মেসের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে পরিতোষকে ঘুম থেকে তোলে রথীন।

রথীন বলে,” এতদিন কম চেষ্টা করিনি, এইসব বিষয়ে আমার প্রথম থেকে ঝোঁক। but I am a flop u-tuber, ঐ শালা প্রবীর ওর চ‍্যানেল দাঁড়িয়ে গেল, কি আছে ওর কন্টেন্ট , ঐসব বস্তাপচা গান, সঙ্গে গীটারের টুংটাং।”

কালো বৃও – Bengali Story

একটু দম নেয় রথীন। আবার বলতে শুরু করে  ” ভাই, তোকে আমার চাই  কারণ তোর গলাটা তুখোড়, আমার লেখায় তুই গলা দিবি।”

… পরদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে একটা চেনা মুখ চোখে পড়ে পরিতোষের। এই দুমাসে ভোল বদলে গেছে একেবারে। এগিয়ে যায় পরিতোষ। ডাকে, “পিহু”। পিহু একটু অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে।

পরিতোষ বলে,” একটু সময় হবে madam, কথা ছিল।” কলকাতা শহরের একটা নিজ্বস্বতা আছে। যে ছেলে দুবছরে কিছু বলে উঠতে পারে নি, সে দুমিনিটে সেসব কথা বলবে ঠিক করে ফেলে।

আপত্তি করতে পারে  না পিহু, সে বলে,” কাল 3.30 এ আসিস, আমার last class নেই কাল।”

পরের দিন পিহু কিছু বলার আগেই পরিতোষ তার ভালোলাগার কথা জানায়। ওপাশ থেকে আপত্তির সুর ভেসে আসে।

পিহু বলে,” please, তুই এসব বলবি জানলে আমি কখনও আলাদা দেখা করতাম না, I am commited with সৌম।”

কালো বৃও – Bengali Story

আচমকা দমকা হাওয়াই আমরা যেমন অপ্রস্তুত হয়ে পড়ি, তেমনটাই হল পরিতোষের। ধাতস্থ হতে প্রায় অনেকটা সময় লেগেছিল। CCD থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যের মহানগরীতে নামল পরিতোষ। শরতের আকাশে শ্রাবনের মেঘ দানা বেঁধেছিল সেদিন।     

“কিরে, ঘুমোসনি এখনো? আজকাল কোন জগতে থাকিস, নাকি বেশি খ‍্যাতি হলে এমনি অন্য মনষ্ক থাকতে হয়!”

জানালার কপাট লাগাতে লাগাতে রথীন বলল। “তুই ঘুমাসনি?”

পরিতোষ বলল। “দেখছিসনা কি ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে, খানিক আগে বাজ পড়ার আওয়াজে ঘুমটা গেল চটকে, তাই জানালা লাগাতে উঠলাম, যাই আর একটু ঘুমোনোর চেষ্টা করি।”

রথীন চলে যাওয়ায় পর উঠে বসল পরিতোষ, আবিস্কার করল তার গাল দিয়ে  একটা জলের রেখা বয়ে গেল।     

সকালে চায়ের সাথে ল‍্যাপটপ  পরিতোষের রোজকার অভ‍্যেস এখন। ওদিকে রথীন কমেন্টের প্রশ্নগুলো এক জায়গায় করছে। এবার প্রথম পরিতোষ জনতার সামনে আসছে। তার ভক্তদের  এত দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। 10M মানুষের কত কৌতূহল  রথীন্দ্রনাথ আর অরিককে নিয়ে। হ‍্যাঁ পরিতোষ জনতার কাছে অরিক নামে পরিচিত। এতদিন তাদের মুখ কেউ দেখেনি। অরিকের গান আর কবিতা আবৃত্তি মানুষেকে মোহাচ্ছন্দ করেছে। আর সেগুলোর তারা দুজনে মিলেই লিখেছে। কিছু পপুলার গানও গেয়েছে পরিতোষ চ‍্যানেলে। প্রথমটায় রথীনই লিখত। পরের দিকে পরিতোষ যোগ দিয়েছিল। তবে গলাটা বরাবর পরিতোষ দিয়েছে, সেই জন্যই তো মাত্র নয় মাস লেগেছে 1M জনতা হতে। তার পর তাদের আর আটকায় কে!

কালো বৃও – Bengali Story

“তোর উদ্দেশ্যে করা প্রশ্নগুলো আলাদা করে রাখলাম, দেখে নিস্। আমি একটু বেরোব” বলে বেরিয়ে গেল রথীন।সবিতাদিও রান্না করে বেরিয়ে গেল। এখন এই উত্তর কলকাতার 2BHK ফ্লাটে একা পরিতোষ, না না অরিক।

 প্রশ্নের উত্তরগুলো ভাবতে থাকে। প্রথম প্রশ্ন ” তোমার প্রথম অডিও শ‍্যুটের আগের দিনটা মনে আছে?”

প্রশ্নটা দেখে ব‍্যাকা হাসে সে। মনে পড়ে সেদিন দুটো কফির অর্ডার দিয়েছিল পিহু আসার আগে, কফিতে চুমুক না দিয়েই 300 টাকা বিল দিতে হয়েছিল। আকাশ সেদিন ফেটে পড়েছিল এই ছোট্ট শহরটার উপর। তাদের ঐ মেসের সামনে এক হাটু জল জমেছিল। সেই জল পেড়িয়ে তাকে সেদিন মেসে ঢুকতে হয়েছিল।

মেসে গিয়ে তাসের আড্ডা থেকে রথীনকে তুলে নিজেদের ঘরে নিয়ে গিয়ে, দরজা বন্ধ করে, রথীনের চোখে চোখ রেখে বলেছিল,” তোর প্রস্তাবে আমি রাজি, তবে আমার একটা শর্ত আছে। আমি ছদ্মনাম ব‍্যবহার করব। আমার চেহারা পরিচয় কেউ জানবে না। তুই রাজি?”

কিছুক্ষণ ভেবেছিল রথীন, তারপর বলেছিল,” তোর পরিচয় গোপন রাখতে গেলে আমার পরিচয়ও গোপন রাখতে হবে। আচ্ছা সে নয় রাখলাম, কিন্তু  Social media is not a joke, অডিয়েন্সকে সামলাবি কি করে?”

কালো বৃও – Bengali Story

” আগে চ‍্যনেলটা দাঁড়াক তার পর অডিয়েন্স। চ‍্যনেলের নাম হবে “কালো বৃও”।

রথীন আর বাঁধা দেয় না। রাজি হয়ে য়ায়। নাম পাল্টানোর পিছনে অবশ‍্য আর একটি কারণ ছিল, আসলে পরিতোষ নামটা তার বাবার দেওয়া। কার্নিসে পাখির ডাকে সম্বিত ফিরে পায় পরিতোষ।

দ্বিতীয় প্রশ্নটি করেছে হাওড়ার রৌণক ” তোমার নাম কে রেখেছিল? নামের মানে কি?”

প্রশ্নটা দেখে মায়ের কথা মনে পড়ে গেল। মাধ্যমিকের পর ছেলেকে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ানোর জন্যে দিন রাত শুধু সেলাই অর্ডার আনত আর কাজ করত। পরিতোষ কলকাতায় ভর্তির পর মায়ের ব্লাড ক‍্যন্সার ধরা পড়ে।  মাকে কলকাতা আনে পরিতোষ। মেসের মালিককে বুঝিয়ে নিজের কাছে রাখে মাকে। তখন রথীন সাহায্য করেছিল। তারপর ইউ টিউব চ‍্যানেল একটু এগোলে এই ফ্ল‍্যাটটা কেনা হয়। মা ছেলের খ‍্যাতি দেখে গেছেন। কিছুক্ষণ পর পরিতোষ বুঝতে পারে যে ও আবার হারিয়ে গেছিল।  এখন ঐ প্রশ্নটার উওর ভাবতে হবে। আসল কারণ কি বলা য়ায়!                

কালো বৃও – Bengali Story

রথীন ফিরছে না দেখে সে খেয়ে নিল। ব‍্যালকনিতে হেলান দিয়ে একটা ফোনের অপেক্ষা করতে হবে তাকে। খুব বেশি অপেক্ষা করতে হল না।

চেনা নম্বরের ওপাশে অপরিচিত গলা, “আমি ক‍্যলকাটা মেডিক্যাল কলেজ থেকে বলছি, আপনি এক্ষুনি এখানের emergency ward এ চলে আসুন।

” ফ্ল‍্যাটে তালা দিয়ে চাবি বুকপকেটে রেখে বেরিয়ে পড়ে সে। যথাস্থানে পৌছে খোঁজ করতে তাকে জিঙ্গাসা করা হয়,”আপনি কি ওনার বাড়ির লোক “

“না, বন্ধু।” সংক্ষিপ্ত উওর।

” তাহলে ওনার বাড়ির লোককে খবর দিন, খানিক আগে একটি রোড accident হয়েছে, spot death, রাস্তার লোক এখানে নিয়ে আসে ওনাকে।”

রথীনের বড়দার নম্বর ছিল তার কাছে। ফোন করে দেয় সে। পরিতোষ জানে ওদের আসতে চার ঘণ্টা লাগবে। মাজদিয়াতে বিশাল বাড়ি রথীনদের, বাবা জমিদার ছিলেন। এও সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন যে প্রথমটায় কলকাতার এঁদো গলির সস্তার মেসবাড়িতে থাকত! যাইহোক রথীনের বাড়ির লোক না আসা পর্যন্ত পরিতোষের চলে যাওয়া সাজে না। অগ‍্যতা রথীনের মৃতদেহর সামনে বসে রইল। এদিকে বাড়ির লোক আসতে না আসতেই তাদের চিৎকার কান্নায় পরিবেশ গমগম করে উঠল। রথীনের দাদা পরিতোষকে তাদের সঙ্গে যেতে বলে। রথীনের শেষকৃত‍্য মাজদিয়াতেই হবে।

পরিতোষ বলে,” আমায় ক্ষমা করবেন দাদা, আমি ওকে এভাবে আর বেশিক্ষণ দেখতে পারব না” ছলছল চোখে সে বেরিয়ে য়ায়।                

ফ্ল‍্যাটে ফিরে স্নান করে পরিতোষ, মা বলত হাসপাতালে গেলে স্নান করতে হয়। রথীনের দুপুরের খাবারটা আছে, সবিতাদি হয়তো সন্ধ্যায় এসে ফিরে  গিয়েছে। খেয়ে নেয় পরিতোষ। একটু বসতেই প্রতীক্ষিত ফোনটা আসে।

ওপাশ থেকে শোনা য়ায়,” স‍্যার, কাজ পছন্দ হয়েছে?”

“perfect” সংক্ষিপ্ত উত্তর।

ফোন কেটে আয়নায়  দিকে তাকিয়ে বলল ” আমি কোনোদিন দ্বিতীয় হয় নি। আর দুজন একসঙ্গে প্রথম হওয়াও য়ায় না, তাই… তাই বিদায় বন্ধু “। 

সকালে কাগজে খবরটা বেরিয়েছে। ” মহানগরীর রাস্তায় আবারও দুর্ঘটনা। এক পথচারী শিকার। রাস্তা পার হওয়ার সময় বারো চাকার একটি লড়ি পিশে দেয় মানুষটিকে।…”  উফ কি রসিয়ে লিখেছে! তবে এই খুনকে দূর্ঘটনায় পরিবর্তন করতে গত এক মাস রাতে ঘুমাইনি, আর ঐ লরির ড্রাইভার আর মালিকের পিছনে কম টাকা বেরিয়েছে! যাইহোক এখন পরিতোষ নিশ্চিন্ত। লাভের গুড় একা খাবে সে।                  

 ফোনে সবিতাদিকে আসতে বারণ করে দেয়। সবিতাদি খবরটা পেয়েছে সেটা বোঝা গেল। আর কথা বাড়ায়না পরিতোষ। laptop টা খোলে। messenger এ notification আসে।

profile এর নাম – পিহু পাল চৌধুরী, “তুমি সত্যিই আমায় বিয়ে করতে চাও, তুমি কত্ত বড়ো মাপের মানুষ, আমার মতো কত মেয়ে তোমাকে চায়।”

“কিন্তু আমি তোমায় চাই ” পরিতোষ লেখে। এই virtual জগত খুবই বিষাক্ত – চোখে জল নিয়ে যেমন হাসির emoji পাঠানো য়ায়, তেমনি ভিজে বিড়ালের মতো মুখ করে নিশব্দে বন্ধুর পিছনে ছুড়িও বসানো য়ায়।                

দুপুরে  ডাক্তারকে ফোন করে পরিতোষ, প্লাস্টিক সার্জারির  date টা তাড়াতাড়ি নিতে হবে। সার্জারির পর সে ভিডিও শ‍্যুট করবে, মিডিয়ার সামনে আসবে। তার আগে তার dark circle আর সামনের উচু দাঁত দুটোর ব‍্যাবস্থা করতে হবে। বম্বে থেকে ডাক আসছে। পিহুকে বিয়ে করে বম্বেতে settle হবে। পিহু মিসেস পরিতোষ হবে থুড়ি মিসেস অরিক।                

রাতে রথীনের কথা একটু মনে পড়ে। ভাবনা গুলোকে পাত্তা দিতে চায় না। চোখ পড়ে তৃতীয় প্রশ্নে।

“আচ্ছা, চ‍্যনেলের নাম কালো বৃত্ত কেন? ”

পরিতোষ মনে মনে ভাবে “The circle has been completed now, এই চ‍্যানেলে আর মাত্র একটি এবং সর্বপ্রথম ভিডিও আসবে। মিডিয়ায় সামনে এই একবার এসে সে বলবে রথীন্দ্রনাথ আসলে কেউ নয়, লেখা গাওয়া সব সে একা হাতে করেছে এতদিন, তাই ভিডিও শ‍্যুট করেনি অডিও করে গেছে শুধু। কিন্তু এখন থেকে অরিক আর লুকিয়ে থাকবে না, বম্বে গিয়ে ছবিতে গান করবে।”

এখনো  অব্দি সে দুটো খুন করেছে। প্রথম ভিকটিম হল পরিতোষ সামন্ত আর দ্বিতীয় ভিকটিম রথীন্দ্রনাথ বসাক। আজ বেঁচে আছে শুধুমাত্র অরিক সামন্ত। এখন অরিক আর পিহু একসাথে বাঁচবে। ছয়ফুট উচ্চতার হিরোমার্কা সৌম ভালোবাসায় বাঁধতে পারেনি পিহু কে, না হলে বিয়ের দেড় বছরের মাথায় ডিভোর্স কেস ফাইল হয়! এবার ভালোবাসায় বাঁধবে অরিক পিহুকে।                 

 তিন মাস পর এক সন্ধ্যায় ভিডিও শ‍্যুট করতে বসে অরিক। মুচকি হাসি দিয়ে শুরু করে।”….  এই প্রশ্নটি করেছে হাওড়ার রৌণক। রৌণক, আমার নাম রেখেছিলেন আমার মা, মা আমায় সোনা বলে ডাকত। রসায়নের ছাত্রী ছিলেন মা, তাই সোনার বিজ্ঞানসম্মত নামটি রাখেন।….”

Hope you liked the bengali story কালো বৃত্ত. Please let us know your thoughts in the comments section below.

Click to read another beautiful bengali story স্বপ্ন ও উত্তর.

0

24 thoughts on “কালো বৃও – Bengali Story”

  1. Very nice post. I just stumbled upon your blog and wanted to say that I’ve really enjoyed browsing your blog posts.
    In any case I’ll be subscribing to your rss feed and I hope you write again very soon!

    0
  2. Hello! I know this is kinda off topic but I
    was wondering if you knew where I could locate a captcha plugin for my comment form?
    I’m using the same blog platform as yours and I’m having trouble finding
    one? Thanks a lot!

    0
  3. you’re actually a just right webmaster. The website loading pace is incredible.
    It sort of feels that you’re doing any distinctive trick.
    Moreover, The contents are masterpiece. you’ve done a excellent job on this matter!

    0
  4. Hi I am so grateful I found your blog page, I really found you by error, while I was looking on Bing for something else, Anyhow I am here now and
    would just like to say thanks for a remarkable post and a all round entertaining blog (I also love the theme/design), I don’t have time
    to look over it all at the minute but I have bookmarked it and also included
    your RSS feeds, so when I have time I will be back
    to read more, Please do keep up the fantastic work.

    0
  5. Very nice post. I just stumbled upon your blog and wished to say
    that I’ve truly enjoyed browsing your blog posts. In any case I will be subscribing to your feed
    and I hope you write again soon!

    0
  6. Excellent blog here! Also your site loads up very fast!

    What web host are you using? Can I get your affiliate link
    to your host? I wish my web site loaded up as fast as yours lol

    0
  7. Have you ever considered writing an ebook or guest authoring
    on other sites? I have a blog based upon on the same ideas you
    discuss and would really like to have you share some stories/information. I know my
    audience would appreciate your work. If you are even remotely interested, feel free to send me an e mail.
    cheap flights 31muvXS

    0
  8. Hey there great blog! Does running a blog such as this require a
    large amount of work? I have no knowledge of coding however I
    had been hoping to start my own blog soon. Anyhow,
    if you have any suggestions or techniques for new blog owners please share.
    I know this is off topic nevertheless I simply
    wanted to ask. Thanks a lot!

    0
  9. What’s Taking place i am new to this, I stumbled upon this
    I’ve found It absolutely useful and it has helped
    me out loads. I’m hoping to give a contribution & aid other customers like
    its aided me. Great job. cheap flights 3gqLYTc

    0
  10. Neat blog! Is your theme custom made or did you download it from somewhere?
    A theme like yours with a few simple adjustements would really
    make my blog shine. Please let me know where you got your design. Kudos 34pIoq5
    cheap flights

    0
  11. It is in reality a nice and useful piece of information. I’m glad that you just shared this
    helpful information with us. Please keep us informed like this.
    Thanks for sharing. cheap flights 31muvXS

    0
  12. This is very interesting, You are a very skilled blogger.
    I have joined your rss feed and look forward to seeking more of
    your fantastic post. Also, I’ve shared your
    web site in my social networks! cheap flights y2yxvvfw

    0
  13. Attractive component to content. I just stumbled upon your
    website and in accession capital to assert that I acquire in fact enjoyed account your blog posts.

    Any way I’ll be subscribing on your augment and even I
    fulfillment you get entry to consistently quickly.

    0
  14. Just want to say your article is as surprising. The clarity in your put up is just cool and i can assume
    you’re knowledgeable on this subject. Well along with your permission let me
    to clutch your feed to stay updated with drawing
    close post. Thanks 1,000,000 and please keep up the
    gratifying work.

    0

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *